আগরতলা, ৫ আগস্ট : দুর্গাপুজোর আগেই ২০২৫ সালের এসটিজিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের সুপারিশকৃত তালিকা প্রকাশ এবং ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার লক্ষ্যে কাজ করছে টিচার্স রিক্রুটমেন্ট বোর্ড অফ ত্রিপুরা (টিআরবিটি)। একইসঙ্গে ইউজিটি এবং জিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের নথি যাচাইয়ের কাজও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন টিআরবিটি-র চেয়ারম্যান প্রত্যুষ রঞ্জন দেব। তাঁর এই আশ্বাসে স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীরা।
বুধবার নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য অনুষ্ঠিত এসটিজিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এক প্রতিনিধি দল ভেরিফিকেশন তালিকা দ্রুত প্রকাশের দাবিতে টিআরবিটি দফতরে গিয়ে চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে চেয়ারম্যান তাঁদের আশ্বস্ত করে জানান, বোর্ড পুজোর আগেই এসটিজিটি পরীক্ষার্থীদের সুপারিশ ও ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত সমস্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি ইউজিটি ও জিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াও একই সময়ের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে টিআরবিটি-র চেয়ারম্যান প্রত্যুষ রঞ্জন দেব জানান, গত ২৬ মাসে বোর্ড মোট সাতটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা পরিচালনা করেছে। এর মধ্যে টেট এবং এসটিজিটি বাদে বাকি পাঁচটি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ এবং সুপারিশের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। এসটিজিটি পরীক্ষার্থীদের প্রতিনিধিদেরও পুরো বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তাঁরা বোর্ডের অবস্থান বুঝতে পেরেছেন বলে তিনি জানান।
চেয়ারম্যান আরও বলেন, বোর্ডের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দুর্গাপুজোর আগেই ইউজিটি, জিটি এবং এসটিজিটি-সংক্রান্ত সমস্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। কারণ, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগুলে চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে আরও একটি টেট পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে। সেই লক্ষ্যেই বর্তমান নিয়োগ-সংক্রান্ত কাজ দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, টিআরবিটি-র চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠকের পর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এসটিজিটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা। তাঁদের বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে ভেরিফিকেশন ও সুপারিশ তালিকা প্রকাশের অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। চেয়ারম্যানের কাছ থেকে নির্দিষ্ট সময়সীমার আশ্বাস পাওয়ায় তাঁদের মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন বোর্ডের ঘোষিত সময়সীমা অনুযায়ী দ্রুত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে শিক্ষক নিয়োগের পথ সুগম হবে বলেই প্রত্যাশা পরীক্ষার্থীদের।

