ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’-র ল্যান্ডফলের প্রত্যক্ষ প্রভাবে দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতেও প্রবল দুর্যোগ শুরু হয়েছে। বাপাতলার সুরিয়ালঙ্কা রোডের কাছে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া ও ভারী বৃষ্টির জেরে বড় গাছ উপড়ে পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। খবর পেয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর জওয়ানরা গাছ কেটে রাস্তা পরিষ্কার ও যান চলাচল স্বাভাবিক করার কাজে হাত লাগান।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে গুন্টুর শহরেও শুরু হয়েছে একটানা ভারী বৃষ্টি ও তীব্র দমকা হাওয়া। ঝোড়ো বাতাসের দাপটে শহরের জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং একাধিক নিচু এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ওঙ্গোলের কোঠাপটনম সৈকতে ল্যান্ডফলের মূল প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় উপকূলীয় অঞ্চলে বাতাসের তীব্র গর্জন ও দৃশ্যমানতা কমে গিয়ে দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
উপকূলবর্তী জেলাগুলির ঝুঁকিপূর্ণ ও নিচু এলাকা থেকে সাধারণ মানুষকে ইতিমধ্যেই নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পরিস্থিতির দিকে সার্বক্ষণিক নজর রাখতে এনডিআরএফ এবং এসডিআরএফের একাধিক দল মোতায়েন রয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না বেরোনোর কড়া পরামর্শ দিয়েছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ।

