আগরতলায় চোর গ্রেফতার, উদ্ধার চুরি যাওয়া বাইক ও স্কুটি

আগরতলা, ১৬ সেপ্টেম্বর : রাজধানী আগরতলায় বাইক চুরির ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পেল এনসিসি থানার পুলিশ। কুখ্যাত বাইক চোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে চুরি যাওয়া একটি বাইক এবং একটি স্কুটি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ইন্দ্রনগর কালীবাড়ির সামনে থেকে চুরি যাওয়া বাইকটি এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ওই বাইকসহ চুরি সংক্রান্ত আরও তথ্য উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ৬ সেপ্টেম্বর ইন্দ্রনগর কালীবাড়ির সামনে থেকে একটি বাইক চুরি হয়। ঘটনার পর বাইকের মালিক ১০ সেপ্টেম্বর এনসিসি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তে নামে এনসিসি থানার পুলিশ। তদন্তের সূত্র ধরে পুলিশ এক বাইক চোরকে শনাক্ত করে। তাঁর বাড়ি রাজধানীর মহেশখলা এলাকায় বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পারে পুলিশ।

এরপর ওই ব্যক্তির সন্ধানে মহেশখলা এলাকায় তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায় এনসিসি থানার পুলিশ। কিন্তু সেখানে গিয়ে অভিযুক্তের হদিশ মেলেনি। তদন্তকারীরা আরও খোঁজখবর চালিয়ে জানতে পারেন, মহেশখলায় থাকলেও অভিযুক্তের আসল বাড়ি কল্যাণপুর থানাধীন রতিয়াবাড়ি হাউর এলাকায়।

সেই তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার এনসিসি থানার পুলিশ কল্যাণপুর থানার সহযোগিতা নিয়ে রতিয়াবাড়ি হাউর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে সেখান থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর কাছ থেকে চুরি যাওয়া একটি বাইক এবং একটি স্কুটি উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া বাহন দুটির বিষয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত অভিযুক্ত ইন্দ্রনগর কালীবাড়ির সামনে থেকে বাইক চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে। তবে তাঁর স্বীকারোক্তির পরও ওই নির্দিষ্ট চুরি যাওয়া বাইকটি এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ফলে বাইকটির সন্ধানে তদন্ত আরও জোরদার করেছে এনসিসি থানার পুলিশ।

বুধবার ধৃত অভিযুক্তকে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়। এদিন এনসিসি থানার ওসি পরিতোষ দাস জানান, অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাইক চুরি সংক্রান্ত আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। পাশাপাশি ইন্দ্রনগর কালীবাড়ির সামনে থেকে চুরি যাওয়া বাইকটিরও সন্ধান পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পুলিশের ধারণা, ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চুরি যাওয়া অন্যান্য যানবাহন এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, সে বিষয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে। সেই কারণে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদকে তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পুলিশ।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *