ত্রিপুরা বার নির্বাচনের প্রচারের শেষ দিনে আদালত চত্বরে উন্নয়ন মঞ্চের শক্তি প্রদর্শন

আগরতলা, ১১ জুন  : ত্রিপুরা বার অ্যাসোসিয়েশনের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারের শেষ দিনে আদালত চত্বর কার্যত সরগরম হয়ে ওঠে। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী প্রচারের অন্তিম লগ্নে আদালত চত্বরে ব্যাপক শক্তি প্রদর্শন করে আইনজীবী উন্নয়ন মঞ্চ। মঞ্চের প্রার্থীদের সমর্থনে ভোট প্রচারে অংশ নেন রাজ্যের বিশিষ্ট আইনজীবী তথা প্রদেশ বিজেপি-র সহ-সভাপতি সুবল ভৌমিক। এদিন তিনি উন্নয়ন মঞ্চের জয় সম্পর্কে দৃঢ় আশা ব্যক্ত করেন।

আগামী শনিবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ত্রিপুরা বার অ্যাসোসিয়েশনের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে কয়েক সপ্তাহ ধরে আইনজীবী মহলে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বৃহস্পতিবার ছিল আনুষ্ঠানিক প্রচারের শেষ দিন। শেষ দিনের প্রচারকে ঘিরে আদালত চত্বরে উন্নয়ন মঞ্চের কর্মী-সমর্থক ও প্রার্থীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

প্রচার কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সুবল ভৌমিক বলেন, ত্রিপুরা বার অ্যাসোসিয়েশন ১১৬ বছরের এক গৌরবোজ্জ্বল প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন শুধু একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়া নয়, বরং আইনজীবীদের কাছে এটি এক প্রকার গণতান্ত্রিক উৎসব। তিনি বলেন, ‘‘বারের উন্নয়ন, আইনজীবীদের পেশাগত স্বার্থরক্ষা এবং পরিকাঠামোগত অগ্রগতির প্রশ্নে উন্নয়ন মঞ্চ বরাবরই সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। এবারও আমরা আইনজীবীদের পূর্ণ সমর্থন পাচ্ছি এবং জয় সুনিশ্চিত বলে মনে করছি।’’

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জয়ী হলে বারের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি নবীন ও প্রবীণ আইনজীবীদের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রেখে একটি কার্যকর ও গতিশীল পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আইনজীবীদের বিভিন্ন পেশাগত সমস্যা সমাধান, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং আদালত-সংক্রান্ত অবকাঠামোর উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এদিন আদালত চত্বরে উন্নয়ন মঞ্চের প্রার্থীদের নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালানো হয়। প্রার্থীরা আইনজীবীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে নিজেদের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং সমর্থন কামনা করেন। প্রচারের শেষ দিনে আইনজীবীদের মধ্যে উন্নয়ন মঞ্চের প্রার্থীদের ঘিরে উল্লেখযোগ্য উৎসাহ ও সাড়া পরিলক্ষিত হয়।

এদিকে, নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই ত্রিপুরা বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনজীবী মহলে উত্তেজনা ও আগ্রহ বাড়ছে। আগামী শনিবারের ভোটে আইনজীবীরা কাদের হাতে বারের নেতৃত্ব তুলে দেন, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *